নিয়তির কোলাজ
বাস্তব কোনো রূপকথা নয়, বাস্তব হলো অভাব আর আপস।
গল্প বিভাগে আপনাকে স্বাগতম। মনোমুগ্ধকর ছোটগল্পের জগতে হারিয়ে যান।
"তিনি জানতেন... পঁচিশ বছর ধরে সবটাই জানতেন!"
社会的 বিষাক্ত দৃষ্টিভঙ্গির সামনে মাথা নত না করে নিজের আত্মসম্মান আর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নারীর এই তেজের কোনো বিকল্প নেই।
নিঝুম রাতের ঠান্ডা কুলকুলে বাতাসে চুলার পাশে বসে নানী পরম মমতায় পিঠা বানাচ্ছেন আর শোনাচ্ছেন এক হাড়হিম করা ভূতের অভিজ্ঞতার গল্প।
"মিহিকা, নামটা ভারী মিষ্টি... কিন্তু আমি তোকে মিহু বলে ডাকব, কেমন?" শাশুড়ির গলায় এমন একটা চেনা মায়া ছিল, যেন বহুদিনের চেনা কোনো আপনজন।
নৌশিনের আহাজারি: অনাগত সন্তান হারানোর বেদনায় একজন মায়ের রক্তক্ষরণ ও প্রতিরোধের গল্প (চলবে...)
দুই কামরার ছোট্ট ফ্ল্যাটে বাস করে মৌ আর তার বাবা। মায়ের দেওয়া রঙবেরঙের উপহারের চেয়ে বাবার আনা পাঁচ টাকার মাটির পুতুলই মেয়ের কাছে হয়ে ওঠে অনেক বেশি দামি। স্পর্শ ও উপস্থিতির যে ভালোবাসা, সেটাই জীবনের আসল সুখ।
"সংসারের জটিল এক রঙ্গমঞ্চে স্বার্থ বনাম নিঃস্বার্থের লড়াই।" দত্ত পরিবারের দুই মেরুর দুই বাসিন্দা—গৃহবধূ পরমা ও চাকুরিজীবী সুমনা। তোষামোদি আর স্বার্থপরতার বেড়াজাল ছাপিয়ে একটি আকস্মিক দুর্ঘটনা কীভাবে পুরো পরিবারের সমীকরণ পাল্টে দিল?
"কিছু দূরত্ব কখনো মেটে না, কিছু প্রথম প্রেম এক অদৃশ্য গভীরতা হয়ে মনের মণিকোঠায় রয়ে যায় চিরকাল।" ২০১৫ সালের সিলেট শহরের এক ঝোড়ো সময়ে প্রত্যুষের জীবনে আসা এক রূপান্তর এবং অনুকে ঘিরে প্রথম প্রেমের এক অসমাপ্ত কাহিনী।
কলেজে পড়ার সময় সম্পৃক্তা প্রথম দেখাতেই সৌপ্তিকের প্রেমে পড়ে। জিকে প্রতিযোগিতা, একসঙ্গে পড়াশোনা, বৃষ্টিভেজা মুহূর্ত এবং সৌপ্তিকের দুষ্টু ঠাকুমা আমুর মজার কাণ্ডের মধ্য দিয়ে তাদের বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে ভালোবাসায় পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত সৌপ্তিক সম্পৃক্তাকে জীবনের সঙ্গী হওয়ার ইঙ্গিত দেয়, আর তাদের সুন্দর প্রেমের গল্প শুরু হয়।