ভাঙা আয়নার জলছবি

১. আদালতের বারান্দা ও তিরিশ বছরের নীরবতা

“আপনারা ভেবে-চিন্তে এই সিদ্ধান্তটা নিচ্ছেন তো? এই বয়সে এসে ডিভোর্সের মতো সিদ্ধান্ত সচরাচর কেউ নেয় না।”

চশমার ওপর দিয়ে উকিলবাবুর তীক্ষ্ণ প্রশ্নটা ভেসে আসতেই এজলাসের ঠান্ডা ঘরের নীরবতা যেন আরও ঘনীভূত হলো। মঞ্জীমা এক মুহূর্তও দ্বিধা করল না। তার মেরুদণ্ড সোজা, দৃষ্টি স্থির। বহু বছরের চেনা এক ক্লান্তি আজ তার চোখে বিষণ্ণতার বদলে এক অদ্ভুত দৃঢ়তা এনে দিয়েছে। সে শান্ত অথচ চড়া গলায় উত্তর দিল— “সিদ্ধান্তটা যখন নিয়েছি, ভেবে-চিন্তেই নিয়েছি। আপনি শুধু বলুন কোথায় সই করতে হবে।”

তিরিশ বছরের এক দীর্ঘ যৌথ জীবন। যে বাঁধনটাকে সমাজ ‘সংসার’ বলে চেনে, আজ আইনি কাগজে সই করে তার গায়ে ‘প্রাক্তন’ তকমা এঁটে দেওয়ার দিন। এতদিন ধরে এই সিদ্ধান্তের কথা যারা যারা শুনেছে, প্রত্যেকেই বাঁকা চোখে তাকিয়েছে। নিজের নাড়িছেঁড়া ধন, একমাত্র ছেলে বরুণ পর্যন্ত কদিন আগে এসে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছিল, “মা, এই বয়সে এসে এসব ছেলেমানুষি না করলে কি চলছিল না? লোকে হাসাহাসি করছে, আমাদের মাথা হেঁট হচ্ছে।”

বরুণ বোঝেনি। এই সমাজে পঞ্চান্ন বছরের এক নারীর ডিভোর্সের সিদ্ধান্তকে লোকে ‘বিলাসিতা’ বা ‘ছেলেমানুষি’ বলে delicacies বা উড়িয়ে দিতে পারে, কিন্তু মঞ্জীমা জানত—এটা কোনো আকস্মিক হঠকারিতা নয়। এটা একটা দীর্ঘ তিরিশ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। আজ তার বয়স পঞ্চান্ন, আর রথীনবাবুর পঁয়ষট্টি। বহু বছর আগেই তারা এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি চেয়েছিল, কিন্তু ছোট্ট বরুণের অবুঝ মুখের দিকে তাকিয়ে মঞ্জীমা বারবার নিজের পা দুটকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছিল। আজ বরুণ বড় হয়েছে, প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই শিকল ভাঙার দিনটাও এসে গেছে।

২. একটি জোর করে চাপানো অতীত

घटनाর সূত্রপাত অনেক বছর আগে। দুই পরিবারের সাবেকি পছন্দে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল মঞ্জীমা ও রথীনের। প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল। রথীনের যত্ন, পরিমিত ভালোবাসা আর মধ্যবিত্ত সংসারের চেনা ছন্দে মঞ্জীমা ভেবেছিল সে পৃথিবীর অন্যতম সুখী নারী। কিন্তু মেঘ জমতে শুরু করল বরুণ জন্মানোর পর থেকে।

ধীরে ধীরে রথীনের মধ্যে এক অদ্ভুত উদাসীনতা ও পরিবর্তন লক্ষ্য করতে শুরু করল মঞ্জীমা। যে মানুষটা আগে ঘরে ফিরেই মঞ্জীমাকে খুঁজত, সে এখন রাত করে বাড়ি ফেরে। সন্তানের প্রতি কেমন একটা প্রচ্ছন্ন অনীহা। কোনো কথা বলতে গেলেই খিটখিট করে ওঠে, অল্পেই রেগে আগুন হয়ে যায়।

শাশুড়ি কমলা দেবী তখন বেঁচে। তিনি ছেলেকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মায়ের ওপরও রথীন চিল চিৎকার করে উঠত। নিজের জন্মদাত্রী মায়ের সাথেও তার সেই রাগান্বিত রুক্ষ আচরণ মঞ্জীমাকে রোজ ক্ষতবিক্ষত করত। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিত্যদিনের অশান্তি যখন চরমে উঠল, তখন একদিন ঝড়ের রাতের মতো একটা সত্যি ধেয়ে এল।

তীব্র ঝগড়ার এক মুহূর্তে রথীন নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চিৎকার করে বলে উঠেছিল—সে মঞ্জীমাকে কোনোদিন নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেনি। বিয়ের আগে তার জীবনে ‘ঈপ্সিতা’ নামে এক মেয়ে ছিল। তারা একে অপরকে পাগলের মতো ভালোবাসত, একসাথে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু কমলা দেবী সেই আধুনিক, স্বাধীনচেতা মেয়েটিকে নিজের ঘরের বউ হিসেবে মেনে নিতে চাননি। তিনি অনেক আগে থেকেই নিজের এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের শান্ত-শিষ্ট মেয়ে মঞ্জীমাকে পুত্রবধূ করার কথা দিয়ে রেখেছিলেন।

যেদিন রথীন মায়ের অবাধ্য হতে চেয়েছিল, কমলা দেবী নিজের মাথায় ছেলের হাত রেখে ‘মাথার দিব্যি’ দিয়েছিলেন। মায়ের সেই আবেগের ব্ল্যাকমেইল অমান্য করার সাহস সেদিন রথীনের ছিল না। মনের ভেতর এক বুক জ্বলন্ত চিতা নিয়ে সে কমলা দেবীর ইচ্ছাপূরণ করতে মঞ্জীমাকে বিয়ে করেছিল। বিয়ের প্রথম কয়েক বছর সে অতীত ভুলে নতুন করে বাঁচার চেষ্টা যে করেনি, তা নয়। কিন্তু জোর করে কি আর ভালোবাসা জন্মায়? সময়ের সাথে সাথে তার ভেতরের সেই দমবন্ধ করা অস্বস্তি ও অপরাধবোধ বাড়তে থাকে, যার নির্মম বহিঃপ্রকাশ ঘটত মঞ্জীমা আর ছোট্ট বরুণের ওপর।

৩. অভিমানের দেয়াল ও বাপের বাড়ি

বরুণ বড় হতে লাগল, আর তার সাথে সাথে রথীন সংসারের সমস্ত দায়িত্ব থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করল। বরুণ যখন মাঝরাতে তীব্র জ্বরে ছটফট করত, মঞ্জীমা একাই সারারাত জেগে জলপট্টি দিত। রথীন পাশের ঘরে অঘোরে ঘুমাত, যেন ওই সন্তানের ওপর তার কোনো অধিকার বা দায় নেই।

শাশুড়ির কাছে কাঁদতে কাঁদতে অভিযোগ করলে কমলা দেবী পিঠে হাত বুলিয়ে বলতেন, “অফিসের কাজের বড্ড চাপ যাচ্ছে রে বউমা। আর কটা দিন যাক, বয়স বাড়লে সব ঠিক হয়ে যাবে।”

কিন্তু কিছুই ঠিক হয়নি। বরং একদিন তীব্রতম কলহের মুখে রথীন মঞ্জীমার বুকে বিষাক্ত তিরের মতো ছুঁড়ে দিল সেই অমোঘ বাক্য—

“এই সম্পর্কটা নিয়ে আমি ভীষণ বিরক্ত, দম আটকে আসে আমার! মায়ের কথায় বিয়ে করে আমার জীবনটাই নষ্ট হয়ে গেছে। যাকে ভালোবাসতাম তাকে বিয়ে করতে পারলে আজ আমার জীবনটা অন্যরকম হতো, অন্তত এমন নরক হতো না!”

কথাগুলো মঞ্জীমার আত্মসম্মানে আর নারীত্বে ছুরির মতো বিঁধেছিল।当日 সে আর কোনো পাল্টা চিৎকার করেনি। এক অদ্ভুত, থমথমে নীরবতায় রাতটা কেটেছিল। পরদিন ভোরে, সূর্য ওঠার আগেই মঞ্জীমা নিজের আর ছোট্ট বরুণের জামাকাপড় একটা সুটকেসে গুছিয়ে বাপের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সেখানে গিয়ে বাবা-মার বুকে মাথা রেখে হাউহাউ করে কেঁদে সব উগরে দেয়। সাফ জানিয়ে দেয়, যে সংসারে সে কেবল এক ‘বিকল্প’ মাত্র, সেখানে সে আর কোনোদিন পা রাখবে না।

এদিকে বউমা বাড়ি ছাড়তেই কমলা দেবী প্রমাদ গুণলেন। তিনি ছেলেকে কড়া গলায় বললেন বউমা আর নাতিকে ফিরিয়ে আনতে। তখন রথীন ক্ষোভে, অপমানে ফেটে পড়ে বলেছিল, “মা! তোমার ওই একটা জেদ আর ভুলের জন্য আজ দুটো মানুষের জীবন জীবন্ত লাশ হয়ে গেল!” কমলা দেবী থতমত খেয়ে বলেছিলেন, “আমি তো তোদের ভালো চেয়েছিলাম।” এরপর তিনি সন্দিগ্ধ গলায় জানতে চান, রথীন কেন আবার পুরনো সম্পর্কের দিকে ঝুঁকছে? কেন সে প্রায়ই ঈপ্সিতার এলাকায় যায়?

রথীন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিল, “আমি কোনো পুরনো সম্পর্কে জড়াইনি মা। ঈপ্সিতার বাবা হঠাৎ পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। এই শহরে ওদের দেখভাল করার মতো কোনো পুরুষ মানুষ নেই। মানুষ হিসেবে বিপদের দিনে একটু পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করাটা কি অপরাধ? ঈপ্সিতার জায়গায় অন্য কোনো অচেনা মানুষ থাকলেও আমি একই কাজ করতাম।”

কিন্তু ততক্ষণে অবিশ্বাস আর অভিমানে জল অনেক দূর গড়িয়ে গেছে।

৪. অলিখিত চুক্তি ও এক ছাদের নিচে দুই মেরু

বাপের বাড়িতে গিয়েও মঞ্জীমা শান্তি পায়নি। ছোট্ট বরুণ সারাক্ষণ ‘বাবা-বাবা’ করে কাঁদত, বাবার জন্য খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। মঞ্জীমার বাবা-মাও তাকে বোঝাতেন, “নিজের আত্মসম্মানের কথা না হয় একটু ছেড়েই দিলে মা, কিন্তু ছেলেটার অন্ধ ভবিষ্যতের কথা ভেবে একবার দেখো। বাবা ছাড়া ছেলে মানুষ হলে সমাজ ওকে চিবিয়ে খাবে।”

শেষ পর্যন্ত রথীন নিজেই একদিন শ্বশুরবাড়িতে এসে হাজির হলো। বাবাকে দেখেই বরুণ ছুটে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ল। সেই রাতে রথীন আর মঞ্জীমার মধ্যে এক দীর্ঘ, ঠান্ডা আলোচনা হয়েছিল। মঞ্জীমা স্পষ্ট বলেছিল, “তোমার প্রতি আমার সব শ্রদ্ধা শেষ। এই কপট দাম্পত্যের সম্পর্ক আর টেনে নিয়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।” রথীন শান্ত, অপরাধী গলায় বলেছিল, “তুমি যদি আমাকে ক্ষমা না-ও করতে পারো মঞ্জীমা, অন্তত এই অবুঝ ছেলেটার মুখের দিকে তাকিয়ে ফিরে চলো। আমাদের ভুলের শাস্তি ও কেন পাবে? আমি চাই না আমাদের সমস্যার জন্য ওর ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক।”

মঞ্জীমা তখন একটি স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দিয়েছে। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস তার ছিল। সে সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে ফিরে যেতে রাজি হলো ঠিকই, তবে জুড়ে দিল এক কঠিন শর্ত—

“আমি ফিরব শুধু বরুণের মা হয়ে, তোমার স্ত্রী হিসেবে নয়। আজ থেকে নিজের আর ছেলের ভরণপোষণ আমি নিজেই নেব। তোমার একটা পয়সাও আমার লাগবে না।”

সেই থেকে শুরু হলো এক অদ্ভুত সহাবস্থান। একই বাড়ি, একই ছাদ, অথচ দুটো আলাদা ঘর। মাঝখানে দাঁড়িয়ে রইল এক দুর্ভেদ্য দেয়াল। দিন, মাস, বছর কেটে গেল। বরুণ বড় হতে লাগল। কিশোর বয়সে তার মনে বারবার প্রশ্ন জাগত—কেন তার বাবা-মা আলাদা ঘরে শোয়? কেন অন্য বন্ধুদের বাবা-মার মতো ওনারা একসাথে হাসেন না, কোথাও ঘুরতে যান না? কিন্তু কোনোদিন সে এই প্রশ্নের উত্তর পায়নি। মঞ্জীমা আর রথীন দুজনেই ভেতরে ভেতরে একটা অলিখিত চুক্তি করে নিয়েছিল—বরুণ বড় হবে, নিজের পায়ে দাঁড়াবে, তারপর তারা এই যন্ত্রণাদায়ক অভিনয় থেকে পাকাপাকিভাবে মুক্তি নেবে।

৫. শিমুল তলার অপেক্ষা: শেষ নাকি শুরু?

আজ সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার শেষ দিন। আদালতের কাগজের নির্দিষ্ট লাইনে সই করতে গিয়ে মঞ্জীমার হাতটা সামান্য কেঁপে উঠল। একটা ভুল বোঝাবুঝি, কিছু অব্যক্ত কথা, তীব্র অভিমান আর অন্ধ অবিশ্বাস—একটা জলজ্যান্ত সম্পর্ককে কোথায় এনে দাঁড় করাল! কত সুন্দর মুহূর্ত হতে পারত, কত মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে গেল শুধুমাত্র একে অপরকে মনের কথা না বলতে পারার কারণে।

কাগজে সই পর্ব শেষ। মহামান্য আদালত আইন অনুযায়ী তাদের আরও sechs বা ছয় মাসের একটা ‘কুলিং অফ পিরিয়ড’ বা সময় দিল—যদি এর মাঝে মন গলে, যদি ভাঙা সংসার জোড়া লাগে!

আদালত চত্বরের বাইরে, একটা বিশাল শিমুল গাছের নিচে এসে দাঁড়াল রথীন আর মঞ্জীমা। বসন্তের শেষ, গাছের পাতা প্রায় সব ঝরে গেছে, কেবল রক্তলাল শিমুল ফুলগুলো ডাল আলো করে ফুটে আছে। বহু বছর পর আজ তারা দুজনে একান্তে একে অপরের মুখোমুখি।

নীরবতা ভেঙে রথীন ধীর গলায় বলল, “তাহলে... এত বছরের তিক্ততার অবসান হতে চলেছে?” মঞ্জীমা একটু দূরে চেয়ে শান্ত গলায় বলল, “কথা তো সেটাই ছিল রথীনবাবু। ছেলে বড় হবে, প্রতিষ্ঠিত হবে, তারপর আমরা নিজেদের মতো করে বাকি জীবন কাটাব। সেই কাঙ্ক্ষিত সময়টা আজ এসে গেছে।”

তাদের থেকে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিল বরুণ আর তার স্ত্রী চৈতি। বিয়ের পর থেকেই বরুণ আর চৈতি আপ্রাণ চেষ্টা করেছে এই দুজনকে এক করার। বরুণ যখন চৈতিকে ভালোবেসে বিয়ে করতে চেয়েছিল, তখন মঞ্জীমা আর রথীন নিজেদের অতীত তিক্ততা ভুলে ছেলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল, চার হাত এক করে দিয়েছিল সানন্দে। নিজেদের জীবনে ভালোবাসার অভাব থাকলেও, তারা কখনো ছেলেকে ভালোবাসার অভাব বুঝতে দেয়নি।

আজও বরুণ আর চৈতি হাল ছাড়েনি। শিমুল গাছের দিকে তাকিয়ে বরুণের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—আইন তো এখনও ছয়টা মাস সময় দিয়েছে। এই ১৮০ দিনে কি তিরিশ বছরের জমে থাকা বরফ গলানো সম্ভব নয়? মায়ের হৃদয়ে যে গভীর অভিমান পাহাড় হয়ে জমে আছে, তা কি বাবার কোনো অনুশোচনায় গলবে না? রথীন কি কোনোভাবে প্রমাণ করতে পারবে যে সে কোনোদিন প্রতারক ছিল না, কেবল পরিস্থিতির শিকার ছিল?

গাছ থেকে একটা টকটকে লাল শিমুল ফুল টুপ করে মঞ্জীমার পায়ের কাছে ঝরে পড়ল। প্রকৃতিও যেন এই থমকে যাওয়া সম্পর্কের শেষ পরিণতির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

কিন্তু সত্যিই কি সব শেষ? নাকি এই আইনি দূরত্বের ছয় মাসই তাদের জীবনের এক নতুন, পলি পড়া উর্বর অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে? উত্তর লুকিয়ে আছে আগামী দিনের কুয়াশাচ্ছন্ন অপেক্ষায়...

(ক্রমশ...)


সংগৃহীত